বাংলাদেশের মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুই সাংবাদিককে মারধর ও আটকে রাখার ঘটনায় খায়রুজ্জামান ওরফে আকামত নামে একজনকে আটক করেছে গাংনী থানা পুলিশ। শনিবার তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার গাংনী থানা পুলিশের এসআই অঙ্কুশ ও এসআই করিমের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়। আটক খায়রুজ্জামান মামলার এজাহারভুক্ত অজ্ঞাতনামা আসামিদের একজন।
ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার, যখন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার দৃশ্য ধারণ করছিলেন নাগরিক টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি রাব্বি ও দৈনিক খবরের কাগজের জেলা প্রতিনিধি তারিক। এ সময় হামলাকারীরা তাদের মারধর করে এবং তাদের মোবাইল ফোন ও বুম মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। আহত সাংবাদিকরা গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এই ঘটনায় দুই শিক্ষকসহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনকে আসামি করে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৪৬/২৬। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩৭৯, ১১৪ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বাকি আসামিদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে।