ঢাকাTuesday , 11 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ফুল-ফ্যাট ডেইরি খাবার স্বাস্থ্যসম্মত: নতুন গবেষণায় দীর্ঘদিনের ধারণা পরিবর্তন

Truth Post
August 9, 2026 8:45 pm
Link Copied!

কানাডার টরন্টোতে দীর্ঘদিনের প্রচলিত স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শকে চ্যালেঞ্জ করে নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হার্ভে অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বাধীন এই গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন তিন বেলা ফুল-ফ্যাট ডেইরি খাবার গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং তা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। দ্য জার্নাল অফ নিউট্রিশন-এ এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় ৭৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে নিয়ে ১২ সপ্তাহ ধরে পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। অংশগ্রহণকারীদের তিনটি ভিন্ন ডায়েট গ্রুপে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে একটি গ্রুপ প্রতিদিন তিন বেলা ফুল-ফ্যাট ডেইরি গ্রহণ করে। গবেষণার শেষে দেখা যায়, যারা নিয়মিত ফুল-ফ্যাট ডেইরি খেয়েছেন, তাদের শরীরের ওজন, মেদ, কোলেস্টেরল বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। উল্টো তাদের রক্তচাপে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে এবং শরীরে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিন ডি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাধারণত ধারণা করা হয়, দুগ্ধজাত খাবারে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে। এ কারণেই বছরের পর বছর ধরে চর্বিহীন বা লো-ফ্যাট ডেইরি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতো। তবে অধ্যাপক অ্যান্ডারসন জানান, খাবারের উপাদানের জটিল বিন্যাস বা ‘ডেইরি ম্যাট্রিক্স’ কীভাবে শরীরে কাজ করে, তা গুরুত্বপূর্ণ। দুগ্ধজাত খাবারের প্রোটিন ও পুষ্টি উপাদানগুলো চর্বির সঙ্গে এমনভাবে মিশে থাকে যা শরীরে ধীরগতিতে শোষিত হয়, ফলে তা এককভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।

বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য এই গবেষণার ফলাফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের শক্তির প্রয়োজন কমে যায়, কিন্তু প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের চাহিদা থাকে। এই পরিস্থিতিতে ফুল-ফ্যাট ডেইরি একটি কার্যকর পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। অধ্যাপক অ্যান্ডারসনের মতে, ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খুব জটিল চিন্তা না করে পরিমিত ও বৈচিত্র্যময় খাবার গ্রহণ করাই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।