যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অ্যাস্টন ভিভা ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তিতে নিকোলাস জ্যাকসনকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ক্লাবটির বর্তমান কোচ উনাই এমেরি জানিয়েছেন, অলি ওয়াটকিনস সাউদি প্রো লিগের ক্লাব আল-হিলালে যোগ দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকায় এই আক্রমণভাগের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ওয়াটকিনসের ছয় বছরের অধ্যায় শেষ হওয়ায় জ্যাকসনের অন্তর্ভুক্তি ক্লাবের নতুন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অ্যাস্টন ভিভায় বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উনাই এমেরির দল। ইতিমধ্যে মর্গান রজার্স, এজরি কনসা, ইউরি টিলেম্যানস এবং লুকাস ডিগনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা ক্লাব ছেড়েছেন। নতুন খেলোয়াড়দের মধ্যে জোহান মানজাম্বি, জোয়াও গোমস, জায়ন সুজুকি এবং মাত্তেও রুগ্গেরি দলে যোগ দিয়েছেন। গত মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখে ধারে খেলা ২৫ বছর বয়সী জ্যাকসন এখন অ্যাস্টন ভিভার ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ফুটবলার।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জ্যাকসন এবং ওয়াটকিনস ভিন্ন ঘরানার খেলোয়াড়। গত মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখে খেলা জ্যাকসন ওয়াটকিনসের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক এবং মাঠের খেলায় অধিক সক্রিয় ছিলেন। জ্যাকসনের খেলার ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি শুধু গোল করার ক্ষেত্রেই নয়, বরং সতীর্থদের সুযোগ তৈরি এবং বলের দখল রাখতেও পারদর্শী। এমেরি এর আগে ভিলারিয়াল থাকাকালীন জ্যাকসনকে কোচিং করিয়েছেন, তাই তার সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই অবগত আছেন।
অলি ওয়াটকিনস অ্যাস্টন ভিভার হয়ে ২৭৮ ম্যাচে ১০৮ গোল করে ক্লাবের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছিলেন। তবে বয়স ৩০ হওয়ায় এবং এমেরির নতুন রণকৌশলের কারণে জ্যাকসনকে নিয়ে নতুন করে সাজানো হচ্ছে ভিভার আক্রমণভাগ। তবে প্রিমিয়ার লিগের চাপের সাথে জ্যাকসন কতটা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবেন, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যে কৌতুহল রয়েছে।