ঢাকাSaturday , 1 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

কর্ণফুলীতে এস আলমের সব কারখানা বন্ধ, বেকার কয়েক হাজার শ্রমিক


August 1, 2026 5:45 am
Link Copied!

বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন সব কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের ছাঁটাইয়ের বিষয়টি জানানো হয় এবং ৩১ জুলাই শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কাঁচামাল সংকট, ব্যাংকে এলসি খুলতে না পারা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকাসহ নানাবিধ আর্থিক জটিলতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এস আলম গ্রুপের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর তালিকায় রয়েছে এস আলম স্টিল, চেমন ইস্পাত লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্টসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এই কারখানাগুলোতে কর্মরত অন্তত সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু কর্ণফুলী নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা গ্রুপটির অন্যান্য কারখানা থেকেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে।

গত ৩০ জুলাই দুপুরে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের নোটিশ বোর্ডে অব্যাহতিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এস আলম সুগার মিলের শিফট ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার মো. হাসমত আলী জানান, দীর্ঘ দুই বছর কাঁচামাল সংকটে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কর্তৃপক্ষ এতদিন বেতন দিয়ে আসছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর্থিক সংকটে তারা কারখানা সচল রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এস আলম সুগার মিল থেকে ৩৮৬ জনকে একসঙ্গে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। যদিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছাঁটাইকৃতদের প্রাপ্য বেতন ও অবসর ভাতাসহ অন্যান্য পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফায় ছোট ছোট আকারে শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছিল।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, ব্যাংকিং জটিলতায় কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে কারখানাগুলো কার্যত উৎপাদনহীন ছিল। মজুদ থাকা কাঁচামাল দিয়ে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চললেও শেষ পর্যন্ত বিপুল ব্যয়ের বোঝা আর বহন করা সম্ভব হয়নি। তাই প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় শেষ পর্যন্ত সবগুলো কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে।