ঢাকাSunday , 9 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

দাম্পত্যে যৌন জীবনে অসন্তুষ্টি কাটাতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ


August 9, 2026 9:15 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের লাইসেন্সধারী ম্যারেজ অ্যান্ড ফ্যামিলি থেরাপিস্ট ও ক্লিনিক্যাল সেক্সোলজিস্ট আনা এলটন দাম্পত্য সম্পর্কের বিভিন্ন জটিলতা ও যৌন জীবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। সংসার, সন্তান ও কাজের চাপে অনেক দম্পতি একে অপরের থেকে মানসিক ও শারীরিকভাবে দূরে সরে যান, যা তাদের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই দূরত্ব কাটিয়ে ওঠার উপায়গুলো জানা দম্পতিদের সম্পর্কের মানোন্নয়নে জরুরি।

যৌন সম্পর্কের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
অনেকেই মনে করেন যৌন সম্পর্কের সংখ্যা কমে গেলে দাম্পত্য জীবনে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে এলটনের মতে, সুস্থ যৌন জীবনের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত নেই। একেক দম্পতির জন্য একেক মাত্রা স্বাভাবিক হতে পারে। মূল বিষয় হলো, দুজনই সেই সম্পর্কে কতটা সন্তুষ্ট এবং একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল। অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজেদের জন্য কোন মাত্রাটি স্বস্তিদায়ক, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করা প্রয়োজন।

দূরত্ব বাড়ার কারণ ও প্রতিকার
কাজের চাপ ও সন্তানদের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে দম্পতিরা অনেক সময় একে অপরকে সময় দেওয়া কমিয়ে ফেলেন। কথাবার্তা কেবল দৈনন্দিন বিল বা সংসারের কাজকর্মে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এই অভ্যাসটিই ধীরে ধীরে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ও রোমান্টিকতা কমিয়ে দেয়। এলটনের পরামর্শ হলো, সম্পর্ককে অগ্রাধিকারের তালিকার নিচে ঠেলে দেওয়া যাবে না। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ও মানসিক সংযোগ একে অপরের পরিপূরক। তাই সম্পর্কের সংযোগ দৃঢ় করতে একে অপরের প্রতি স্নেহ প্রকাশ ও গুণগত সময় কাটানো জরুরি।

যৌন আকাঙ্ক্ষায় পার্থক্য সামলানো
স্বামী-স্ত্রীর যৌন আকাঙ্ক্ষা ভিন্ন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এমন পরিস্থিতিতে চাপ সৃষ্টি না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা উচিত। বিষয়টিকে ‘কে সঠিক বা কে ভুল’ এমন বিতর্কে না নিয়ে বরং একটি সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে দুজনকে একত্রে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত সীমারেখা ও স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতি সম্মান বজায় রাখলে সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় থাকে।

কখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য প্রয়োজন
দাম্পত্যের কোনো একজন সঙ্গী যদি নিয়মিত একা, ক্ষুব্ধ বা প্রত্যাখ্যাত বোধ করেন, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। এছাড়া শারীরিক ব্যথা, ইরেকটাইল সমস্যা, হরমোনের জটিলতা বা মানসিক বিষণ্নতার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে পেশাদার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ দাম্পত্যের শান্তি নষ্ট করতে পারে, তাই সময়মতো সহায়তা নেওয়াই শ্রেয়।