যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডটকম-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোরিয়াসিস এবং পরিবেশগত অ্যালার্জির মধ্যে সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা চলছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ত্বকের এই দীর্ঘস্থায়ী রোগটি অনেক সময় বাইরের পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের উপস্থিতিতে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। পরিবেশগত অ্যালার্জেন সোরিয়াসিসের উপসর্গ বৃদ্ধির পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করতে পারে কি না, সেটিই এখন গবেষণার মূল বিষয়।
উপসর্গ ও কারণ
সোরিয়াসিস মূলত একটি অটোইমিউন রোগ যা ত্বকে লালচে দাগ এবং চুলকানির সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, পরাগ রেণু, ধুলোবালি বা পোষা প্রাণীর লোমের মতো পরিবেশগত অ্যালার্জেন অনেকের ক্ষেত্রে সোরিয়াসিসের লক্ষণগুলোকে আরও বাড়িয়ে তোলে। যদিও এটি সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবুও কিছু রোগীর শরীর অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় প্রদাহ তৈরি করে, যা সরাসরি ত্বকের অবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
প্রতিকারের উপায়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোরিয়াসিস নিয়ন্ত্রণে সঠিক রোগ নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি। যদি অ্যালার্জির কারণে সোরিয়াসিস বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি-হিস্টামিন বা নির্দিষ্ট থেরাপি গ্রহণ করা যেতে পারে। এছাড়া নিয়মিত ঘর পরিষ্কার রাখা এবং অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা এই রোগীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ এবং পরিবেশের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা রোগ নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি।