যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক পোর্টাল হেলথ ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডায়েট সোডা এবং জিরো-সুগার সোডার মধ্যে পার্থক্য ও প্রভাব নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুই ধরনের পানীয় মূলত কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করে প্রস্তুত করা হয়, যা ক্যালরি না বাড়িয়েও মিষ্টি স্বাদ বজায় রাখে।
পার্থক্য ও উপাদান
ডায়েট সোডা ও জিরো-সুগার সোডার মূল ভিত্তি হলো ক্যালরিহীনতা। তবে প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো বিপণনের খাতিরে এদের ভিন্ন নামে বাজারে আনে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের কৃত্রিম মিষ্টির ধরণ বা স্বাদের ভিন্নতা থাকলেও স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব প্রায় একই ধরনের বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
অনেকেই ওজন কমাতে বা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিনিমুক্ত পানীয় বেছে নেন। তবে এসব পানীয়তে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, চিনি না থাকলেও এসব পানীয়র পরিবর্তে পানি বা প্রাকৃতিক পানীয় গ্রহণ করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি নিরাপদ।
সতর্কতা
জিরো-সুগার বা ডায়েট সোডা পান করা মানেই স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। কার্বোনেটেড পানীয় দাঁতের এনামেল ক্ষয়সহ শরীরের হাড়ের ঘনত্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিমিতিবোধ বজায় রাখাই হচ্ছে প্রধান সমাধান।